সালথায় যত্রতত্র নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার
প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:৪৭ অপরাহ্ন | সারাদেশ
সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের সালথায় সর্বত্র ব্যবহার করা হচ্ছে নিষিদ্ধ পলিথিন, বন্ধের কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যাচ্ছে না সংশ্লিষ্টদের। সালথার হাট-বাজারসহ সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পণ্যসামগ্রীর সঙ্গে এ ব্যাগ দেয়া হচ্ছে।
এতে রাস্তাঘাট,নদী- নালা,ড্রেন ও মাটির গর্তে বর্ষার পানিতে পলিথিনের আবর্জনা ছড়িয়ে পড়ছে। উপজেলার ছোট-বড় হাট-বাজার থেকে পাড়া মহলার স্টেশনারী, মুদি দোকান,ফল ব্যবসায়ীরা প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ পলিথিনের অবাধ ব্যবহার করছে।
বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে গোটা বাংলাদেশে ছয় সপ্তাহব্যাপি পলিথিন শপিং ব্যাগবিরোধী অভিযান করলেও এই উপজেলায় তার কোন প্রভাব পড়েনি। জানা যায়, পলিথিন শপিং ব্যাগের ক্ষতিকারক বিষয়গুলো বিবেচনা করে ২০০২ সালের ৮ এপ্রিল সরকারী সিদ্ধান্তে সর্বপ্রকার পলিথিন শপিংব্যাগ উৎপাদন,আমদানি, বাজারজাত করণ, বিক্রয়, বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শন, মজুদ, বিতরণ, বাণিজ্যি উদ্দেশ্যে পরিবহন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়। এ প্রজ্ঞাপন জারির পর কিছু দিন পলিথিন শপিংব্যাগের ব্যবহার বন্ধ হয়ে পড়ে।
কিন্তু আইন বাস্তবায়নে কার্যকরী কোন পদক্ষেপ পরিলক্ষিত না হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানের মতো সালথা উপজেলার সর্বত্র সর্বপ্রকার পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার হচ্ছে। পলিথিন মাটিতে পঁচেনা এবং মাটির উর্বরা শক্তি কমিয়ে দেয়। পলিথিন ব্যাগ ড্রেন,নর্দমায় পড়ে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়। এমনকি ড্রেন বা নালার মুখ বন্ধ হয়ে হাট-বাজারে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। মাছ, তরিতরকারী, ফলমূল, বিস্কুট ও স্টেশনারিসহ সব প্রকার পণ্যসামগ্রীর সঙ্গে অবাধে পলিথিন শপিংব্যাগ দেয়া হচ্ছে।
সালথা বাজারের কয়েকজন দোকানদারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, খুচরা বিক্রেতারা পাইকারদের কাছ থেকে ক্রয় করে। হেমায়েত নামক এক পাইকার বিক্রেতা বলেন বিভিন্ন জায়গা হতে ক্রয় করি। যেখানে পাই সেখান হতে ক্রয় করি।
সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আক্তার হোসেন শাহিন এর সাথে কথা বললে এবিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

