আইএমইডির ডাইরেক্টরের (যুগ্মসচিব) খলিল আহমেদ মহেশখালী কিশোর-কিশোরী ক্লাব পরিদর্শন
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২২, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন | সারাদেশ
নুরুল করিম (মহেশখালী) :
মহেশখালী উপজেলায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর (মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়) এর আওতাধীন কিশোর-কিশোরী ক্লাব প্রকল্পের ক্লাস পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের ডাইরেক্টর খলিল আহমেদ।
২১ শে অক্টোবর শুক্রবার সকালে পরিদর্শন কালে
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কক্সবাজার মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুব্রত বিশ্বাস, কক্সবাজার জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ফিল্ড সুপারভাইজার এম.কাবিল উদ্দীন। কুতুবজোম ইউনিয়ন ও মহেশখালী পৌরসভার গোরকঘাটা কিশোর-কিশোরী ক্লাব পরিদর্শন শেষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন, মহেশখালী উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাবিবা জাহান, ট্রেড ইন্সট্রাক্টর শারমিন আক্তার বিউটি, উপজেলার কিশোর-কিশোরী ক্লাবের জেন্ডার প্রমোটার মাহবুব ইলাহী, সংগীত শিক্ষক বাবু রেন্টু কুমার বড়ুয়া, প্রিয়াংকা দে, আঁখি রানী দে, অনিন্দিতা পাল, স্বস্তিকা পাল রুপা, মোঃমিজানুর রহমান, রিতু দে, সুরভী শর্মা ও রিম্পা পাল। আবৃত্তি শিক্ষক নিপা দে,কবি নিলয় রফিক, তাজকিয়া বিনতে গিয়াস,সুশান্ত বড়ুয়া,কলি আক্তার, হুমায়ুন রশীদ, মোঃ ইমন,পান্না দাশ,তাহামিনা ইয়াসমিন, ক্লাব কো-অর্ডিনেটরগণ, বিশিষ্ট শিক্ষা অনুরাগী ও সমাজ সেবক হ্যাপি করিম সহ অন্যান্য সকল অফিস স্টাফবৃন্দ।
এ সময় যুগ্ম সচিব খলিল আহমেদ বলেন, সুন্দর সমাজ গঠনে কিশোর কিশোরীদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। তাদেরকে আস্বস্ত করেন যে কোন সামাজিক ভায়োলেন্স মোকাবেলায় সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন। এ ক্লাবের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ,আবৃত্তি শিক্ষাদান,সঙ্গীত শিক্ষাদান, বিতর্ক প্রতিযোগিতা,বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দিবস উদযাপন, ইভটিজিং, যৌতুকবিরোধী আন্দোলন, কৈশোর কালিন পুষ্টি বিষয়ক পরামর্শসহ আরো অনেক বিষয়ে তাদেরকে সচেতন করে আসছেন ক্লাবের শিক্ষকবৃন্দ। চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচণ্ডী ইউনিয়নের ক্লাব,ষোলঘর সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ে অবস্থিত। মহেশখালী উপজেলার কিশোর-কিশোরী ক্লাবের পক্ষ থেকে স্যারকে “শুভেচ্ছা স্বারক” হিসাবে কবি নিলয় রফিকের ১ টি বই উপহার দেওয়া হয়।পরিদর্শন শেষ সময়ে স্যার ক্লাব সদস্যদের কাছ থেকে ০২ টি করে সংগীত ও কবিতা আবৃত্তি শোনেন এবং মুগ্ধ হন। কিশোর-কিশোরী ক্লাব পরিদর্শনকালে প্রতি সন্তোষ এবং সাফল্য কামনা করেন।
উল্লেখ্য যে, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সমগ্র বাংলাদেশে ৬৪ টি জেলার ৪৮৮৩ টি কিশোর-কিশোরী ক্লাব বাস্তবায়িত হচ্ছে।

